সিটির পূর্বাভাস

চলতি বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ডলারের নিচে নামতে পারে

২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটিগ্রুপ ইনকরপোরেটেড (সিটি)।

২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটিগ্রুপ ইনকরপোরেটেড (সিটি)। মূল্যবান ধাতুটিতে বিনিয়োগ চাহিদা কমে যাওয়া ও বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশার কারণে দাম কমতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।

সিটি সোমবার এক বাজার বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের দাম নিয়ে তারা আগের চেয়ে কিছুটা সতর্ক অবস্থানে গেছে। আগামী তিন মাসের জন্য তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী স্বর্ণের দাম হবে আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ৩০০ ডলার, যা আগে ছিল ৩ হাজার ৫০০ ডলার। আর ৬-১২ মাস মেয়াদে দাম দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৮০০ ডলারে, যা আগে ছিল ৩ হাজার ডলার।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ১০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা, বাজেট ঘাটতির শঙ্কা ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা।

তবে ২০২৫ সালের শেষ ভাগে ও ২০২৬ সালের শুরুর দিকে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে আসবে বলে মনে করছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ার সম্ভাবনা ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আবারো বাড়তে থাকলে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিমুক্ত সম্পদ থেকে সরে আসতে পারেন।

এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে স্বর্ণের দাম আরো কমে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ ডলারে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সিটি। তবে তারা বলেছে, মাত্র ২০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে যে স্বর্ণের দাম আবার ৩ হাজার ৫০০ ডলারের ওপরে উঠতে পারে, যদি অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তীব্র হয় এবং হেজিং বা বিনিয়োগ চাহিদা জোরালো হয়।

অন্যদিকে রুপার বাজার নিয়ে তুলনামূলক ইতিবাচক পূর্বাভাস দিয়েছে সিটি। প্রতিষ্ঠানটির মতে, আগামী ৬-১২ মাসে রুপার দাম আউন্সপ্রতি ৪০ ডলারে উঠতে পারে। সরবরাহ সংকোচন ও শিল্প খাতে চাহিদা বাড়ায় রুপার দাম বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে রুপার দাম ৪৬ ডলারে পৌঁছতে পারে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও